ফুলবাড়ীয়ায় জমি দখল করতে সেনা সদস্যকে মিথ্যে মামলায় ফাসানোর চেষ্টার অভিযোগ

মোঃরিফাত আহমেদ রিজভী ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

 

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ্‌এক সেনা সদস্যকে মিথ্যে মামলায় ফাসিয়ে জমি দখলের চেস্টার অভিযোগ উঠেছে ফজলুল হক নামের ব্যক্তির উপর। ফজলুল হক কাহালগাও গ্রামের আকবর আলীর পুত্র। উপজেলার কাহালগাঁও মৃত জুবেদ আলীর পুত্র ছফর আলীর সাথে দীর্ঘদিন যাবত পৈত্রিক জমিজমা নিয়ে বিরোধে চলে আসতেছিল ফজলুল হকের। জমি সংক্রান্ত্ম বিরোধের জেড় ধরে ছফর আলীর পুত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত সৈনিক হাফিজুল ইসলাম কে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে জমি দখলের চেস্টার অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গেলে ছফর আলী বলেন, ফজলুল হক এর সাথে আমাদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত পৈত্রিক জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

 

 

 

গত শনি বার আমি আমার ১৮/১৯ বছর যাবত আমার দখলে থাকা জমিতে লোহার ও পস্নাষ্টাটির এর জাল দিয়ে সীমানা দিয়ে ২৫০টি আকাশ মনি গাছ লাগালে ফজলু ও তার সাথে আরো কয়েকজন আমার জমিতে রোপিত প্রায় সবগুলি গাছ কেটে ফেলে এবং নিজের ঘর বাড়ীতে নিজেরাই হামলা করে আমার ছেলে হাফিজুল ইসলাম (বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে চাকুরিরত) কে জড়িয়ে থানায় মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করে। আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনকে মারধর ও হত্যা করে লাশ গুম করা ও আমার ছেলে সরকারী চাকুরির ÿতি সাধন করার হুমকি প্রদান করায় আমি গফুলাবড়ীয়া থানায় একটি সাধারণ ডাইরি (জিডি ) করেছি যার নাম্বার হলো ৮৪ তারিখ -০২/০৬/২০২২ ইং।

 

 

 

এব্যাপারে স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ড এর মেম্বার গোলাম রাব্বানী বলেন, আমি না এ এলাকার একশত জনকে জিঞ্জাসা করলে সকলেই বলবে এ জমি ছফর আলীর। আমি যখন মেম্বার ছিলাম তখন এ জমিতে আকাশী গাছের বাগান ছিল। পরে তা শহিদুল ইসলাম নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর কাছে সেই বাগানের গাছ বিক্রি করছে ্‌ তখন ফজলু বাধা দিল না। \হকাঠ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম এর সাথে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি প্রায় ২ বছর আগে আকাশী গাছের বাগান ক্রয় করেছি তখন গাছ কাটার সময় আমাকে কেউ বাধা দেয়নি।

 

 

 

\হএ ব্যাপারে কাহালগাঁও গ্রামের আ: জলিল বলেন, আমি দীর্ঘদিন এ জমি লাভে ( ভোগরেহান ) আবাদ করেছে। এ জমিতে শাক সবজি আবাদ করতাম। তখন তো কেউ বাধা দেয়নি। ছফর আলী পুত্র বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে চাকুরিরত হাফিজুল ইসলাম বলেন, আমি ছুটিতে বাড়ীতে এসেছি। যেদিন এ জমির গাছ কাটা নিয়ে গন্ডগোল হয় সেদিন আমি বাজারে বসেছিলাম। যেখানে বসেছিলাম সেখানে সিসি ক্যামেরা আছে তা দেখতে পারেন। এছাড়া ঐদিন বৃষ্টি হচ্ছিল তখন আমি আমার ফেসবুকে লাইভ দিয়েছিলাম। জমি দখলের জন্য মিথ্যে একটি াঅভিযোগ দায়ের করে আমাকে অভিযোক্ত করা হযেছে। এ ব্যাপারে ফজলুল হকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হইলে তাকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে ৯নং এনায়েতপুর ইউনিয়ন পরিসদের চেয়ারম্যান মো: বুলবুল হোসেন এর সাথে তিনি বলেন,আমি ঢাকা যাচ্ছি পরে আপনার সাথে কথা বলব।

Leave a Comment

Your email address will not be published.